সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

আমরা জানি, কম্পিউটার যত বেশি ব্যবহার হবে, যত বেশি সফটওয়্যার ও বিভিন্ন ইউটিলিটি ইনস্টল হবে, তত বেশি ধীর হতে থাকবে। বলা যায়, এটিই স্বাভাবিক এক প্রক্রিয়া। এছাড়া কম্পিউটার বিভিন্ন সমস্যার আরো অনেক কারণ রয়েছে। ওয়েব সার্ফ দ্রুততর করা, ল্যাপটপের ব্যাটারির আয়ু বাড়ানো, প্রসেসরের ক্ষমতা বাড়ানো, উইন্ডোজকে দ্রুততর সময়ের মধ্যে চালু করা এবং পিসির আয়ু বাড়ানোর লক্ষ্যে ব্যবহারকারীর পাতায় এবার উপস্থাপন করা হয়েছে ৪টি প্রয়োজনীয় ও সহায়ক টিপস বা কৌশল।
০১. সিলেক্ট করা প্রোগ্রামের গতি বাড়ানো

উইন্ডোজ একসাথে কয়েকটি ভিন্ন ভিন্ন প্রোগ্রাম চালু করতে পারে। অনেক কাজ চালু থাকায় আপনার কাজের গতি কমে যাবে এটাই স্বাভাবিক। এ সমস্যা ফিক্স করার জন্য উইন্ডোজ সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রামের জন্য আরো বেশি প্রসেসিং পাওয়ারের কথা বলে।
এবার Taskbar-এ ডান ক্লিক করে Task Manager বেছে নিতে হবে। এবার Processes ট্যাব সিলেক্ট
করে প্রোগ্রাম সংশ্লিষ্ট এন্ট্রি খুঁজে বের করে ডান ক্লিক করুন। এরপর Set Priority নির্দিষ্ট করে একটি প্রায়োরিটি সেটিং সিলেক্ট করতে হবে। তবে Realtime বেছে নেয়া ঠিক হবে না, যদি না আপনার কাজ সম্পর্কে ভালোভাবে অবহিত হতে পারছেন।
আপনার বেছে নেয়া প্রায়োরিটি স্থায়ী নয়, তাই যখন পিসি রিস্টার্ট করা হয় তখন ওই সেট করা প্রায়োরিটি ভুলে যায়। তবে প্রায়োরিটি স্থায়ীভাবে সেট করতে পারবেন বাড়তি সফটওয়্যার ব্যবহার করে।

০২. হয়ে উঠুন বেনামী এবং অনুসরণসাধ্য

বিদ্যমান বিভিন্ন ওয়েব ব্রাউজারে আছে প্রাইভেট ব্রাউজিং মোড, যা ব্যবহার করে আপনি সীমিত করতে পারবেন আপনার ভিজিট করা ওয়েবসাইটের রেকর্ড হওয়া তথ্য। তবে অনলাইনে আপনার কার্যকলাপের চিহ্ন থেকেই যাবে। প্রকৃত বেনামীদের জন্য প্রোটেকশনের অনেক অফার রয়েছে। এগুলো ডাউনলোড করে নিন। যেকেউ এগুলো ব্যবহার করে অ্যানালাইসিস করতে পারবেন আপনার ব্রাউজিংকে।
আপনাকে ট্র্যাকের জন্য এটি অবশ্য যথাযথ উপায় নয়, কেননা আপনাকে ট্র্যাক করার জন্য আরো কিছু
অ্যাডভান্স উপায় রয়েছে।

০৩. দূর থেকে কমপিউটারে অ্যাক্সেস করা

এমন এক সময় আসবে, যখন এক কমপিউটার থেকে আরেক কমপিউটারে অ্যাক্সেস করা প্রয়োজন হবে, আবার অন্যরা সম্ভবত তার সহায়তা অফার করবে বা গ্রহণ করবে। দূর থেকে কমপিউটারে অ্যাক্সেস পরীক্ষা করার জন্য সবচেয়ে ভালো হয় সমস্যাযুক্ত কমপিউটার নিয়ে বসা, তারপর ভালো হয় রিমোট অ্যাক্সেসে চেষ্টা করা। এক্ষেত্রে টিমভিউয়ার এক চমৎকার টুল। এই টুলের জন্য উইন্ডোজ, আইপ্যাডের ভার্সন যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে ম্যাক, লিনআক্স এবং অ্যান্ড্রয়িড ডিভাইসের ভার্সন।
উইন্ডোজ ভার্সনকে নিয়মিতভাবে ব্যবহারের জন্য ইনস্টল করা যায় অথবা পোর্টেবল অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এর অর্থ হচ্ছে এটি কোনো চিহ্ন পেছনে রেখে যায় না।
এটি আপনার বিশ্বস্ত লোকদেরকে রিমোট অ্যাক্সেসের সুবিধা অফার করেন। তাই এটি আপনার কমপিউটার এবং ডকুমেন্টের পুরো নিয়ন্ত্রণের সুবিধাও অফার করে।

০৪. ব্যাটারির আয়ু উন্নত করা

উইন্ডোজ ৭ ও ভিস্তার Power Scheme ব্যবহার করে ল্যাপটপের আয়ু বাড়ালো যায়। এই মোড পাওয়ার সেভ করার জন্য প্রসেসরকে ধীর করে এবং যখন দরকার হয় তখনই দ্রুততম গতিতে রান করতে দেয়। এ কাজটি মোটামুটিভাবে তাৎক্ষণিকভাবে করে। সুতরাং এ কর্মকান্ড খুব কমই বুঝা যাবে।
স্টার্ট বাটনে ক্লিক করে Power টাইপ করুন এবং Power Options-এ ক্লিক করুন। এবার ‘Balanced (recommended)’ রেডিও বাটন সিলেক্ট করে উইন্ডো বন্ধ করুন।
ল্যাপটপ ব্যবহার করে ভিন্ন সেটিং, যেহেতু ল্যাপটপে পাওয়ার যুক্ত থাকতে পারে, আবার নাও থাকতে পারে। সুতরাং এই টিপ বা কৌশলটি দু’বার কার্যকর করতে হবে। একবার বিদ্যুৎ সংযুক্ত অবস্থায়, আরেকবার বিদ্যুৎবিহীন তথা বিদ্যুৎ সংযোগবিহীন অবস্থায় কার্যকর করতে হবে। আপনি Power Saver অপশন বেছে নিয়ে খুব সামান্যই ব্যাটারির আয়ু সেভ করতে পারেন। যদিও এতে পারফরম্যান্স কিছুটা কমে যায়।
কেমন আছেন সবাই? আমরা সবাই জানি মানুষের ব্রেইন খুব বিচিত্র একটি জিনিস। কিন্তু আমরা এই বিচিত্র জিনিসের অনেক অজানা রহস্য এখনো জানিনা বা জানার সুযোগ হয়নি এখনো। ইন্টারনেট থেকে খুজে পাওয়া চমৎকার কিছু তথ্য নিয়ে এই পোস্ট টি করলাম। এখানে মানুষের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক সম্পর্কে ২৩ টি অজানা তথ্য রয়েছে।
১. মানুষের মস্তিকের প্রতি সেকেন্ডে ১০১৫টি হিসাব করার ক্ষমতা আছে।
২ .একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন প্রায় ৭০০০০ বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে সক্ষম |
৩. মস্তিষ্কে একশবিলিয়ন নিউরন রয়েছে। মানুষের নিউরনে তথ্য চলাচলের সর্বনিম্ন গতিবেগ হলো প্রায় ২৫৮.৪৯০ মাইল/ঘণ্টা।
৪. মানব মস্তিষ্ক তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে ন্যূনতম ০.৫ মিটার সেকেন্ড থেকে সবচেয়ে বেশি ১২০ মিটার সেকেন্ড পর্যন্ত।
৫. একশ মাইল লম্বা শিরা রয়েছে মানব মস্তিষ্কে।
৬. হাতির মস্তিষ্ক মানুষের মস্তিষ্কের অপেক্ষা বৃহৎ হলেও হাতির মস্তিষ্ক তার দেহের ০.২৫ ভাগ যেখানে মানুষের মস্তিষ্ক তার দেহের ওজনের দুই ভাগ। এতে বোঝা যাচ্ছে মানুষের মস্তিষ্কই সবচেয়ে বড়।
৭. একজন মানুষের ব্রেইন অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রানীর চেয়েপ্রায় ৩ গুন বড়।
৮. ব্রেইন মানুষের দেহের মোট আয়তনের মাত্র ২% হলেও দেহে উৎপন্য মোট শক্তির ২০ ভাগেরও
বেশী খরচ করে সে একাই।
৯. দেহের মোট অক্সিজেনের প্রায় ২০ ভাগ মস্তিষ্ক ব্যবহার করে থাকে।
১০. অক্সিজেনের মতো প্রায় ২০ ভাগ রক্তই মস্তিষ্ক আদান-প্রদান করে।
১১. মস্তিষ্কের ওজনের প্রায় দ্বিগুণ ওজন হচ্ছে মস্তিষ্কের আবরণ বা চামড়ার।
১২ .মানব মস্তিস্কের প্রায় ৭৫ ভাগই পানি ।
১৩. বাচ্চা অবস্থায় একটি মানুষের মস্তিস্কের ওজন থাকে ৩৫০-৪০০ গ্রাম। প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় যা বেড়ে হয় ১৩০০-১৪০০ গ্রাম!
১৪. জন্মের সময় থেকে মানব মস্তিষ্ক পূর্ণাঙ মানুষের মস্তিষ্কের আকৃতি নিয়ে আসে এবং মস্তিষ্কের প্রায় পূর্ণাঙ্গ কোষ নিয়েই আসে।
১৫. মস্তিষ্ক ১৮ বছর বয়সের পর বৃদ্ধি হয় না।
১৬. জাগ্রত থাকা অবস্থায় মস্তিস্ক প্রায় ২৫ ওয়াট পাওয়ার সৃষ্টি করে,যা একটি লাইট বাল্ব জালানোর জন্য যথেষ্ট
১৭. যখন আপনি জ্বরে আক্রান্ত হবেন তখন মনে রাখবেন মানুষের মস্তিষ্কের সর্বোচ্চ তাপ সহনীয় ক্ষমতা ১১৫.৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট এবং ততক্ষণ পর্যন্ত মানুষ বাঁচতে পারে।
১৮ .যখন মানুষকে অত্যধিক চাপ সহ্য করতে হয় তখন মস্তিষ্কের কোষ, গঠন বা আকার এবং কাজ বাধাগ্রস্ত হয়।
১৯. অক্সিটোক্সিন নামক হরমোন মস্তিষ্ক থেকে ক্ষরিত হয় এবং ভালোবাসা এবং আত্মসংবরণের জন্য দায়ী।
২০. যদি মস্তিষ্ক ৮ থেকে ২০ সেকেন্ড রক্ত না পায় তবে মানুষ জ্ঞান হারায়।
২১. মস্তিষ্কে ব্যথা সংগ্রাহক কোনো অঙ্গ নেই তাই মস্তিষ্ক কখনো ব্যথা অনুভবকরে না।
২২ .একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মস্তিষ্ক অক্সিজেন ছাড়া মাত্র ৫ মিনিট টিকতে পারবে | ৫ থেকে ১০ মিনিট অক্সিজেন না থাকলে মস্তিষ্কের স্থায়ী সমস্যা দেখা দেয়।
২৩. মৃত্যুর ৫ মিনিটের মধ্যেই মস্তিষ্কের কোষগুলির মৃত্যু ঘটে।
সুত্র-  ICT HeadQuarters

শনিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

অনেকেই আছেন বাইক রেসিং গেইম এর মহাভক্ত। তাদের জন্য একটি বাইক রেসিং গেইম শেয়ার করলাম।
আমার জানামতে অন্য গেইমের চেয়ে এই গেইম টা ভিন্ন। অসাধারন সব লোকেশন আর গ্রাফিক্স ব্যবহার করা হয়েছে গেইমটিতে।
ভাবার কিছু নেই গেইমটি মাত্র ২৩ মেগাবাইট।
গেইমটিতে অনেক গুলা লেভেল আছে।
গেইমটিতে মারামারি করা যায় তাছাড়া গেইমটিতে আপনি অল্প সময়ের জন্য পানির নিচ থেকে ও ঘুরে আসতে পারবেন।
তাছাড়া গেইমটিতে আরও অনেক মজার ফিচার আছে।
গেইম টি খেলে আশা করি আপনারা মজা পাবেন।
নিচে Screenshot গুলু দেখে নিন।









সুতরাং , গেইম টি উপভোগ করুন।
Download Link ( Media Fire)
PC থেকে ডাউনলোড করবেন।
মিডীয়া ফায়ারের দোষ হল কপি রাইট ফাইলে রিমুভ করে দেয়।
ডাউনলোড লিংক কাজ না করলে জানাবেন।
এই সারসংক্ষেপটি পাওয়া যাবে না। পোস্ট দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন ।
 সালাম সবাইকে।


উইন্ডোজ ৭ ট্রাবলশুট সমস্যা
কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কারণে সমস্যায় পড়েন। যদি উইন্ডোজ ৭-এর কিছু অংশ অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে এবং কেন এমন হচ্ছে তা আপনি বুঝতে না পারেন, তাহলে উইন্ডোজের নতুন ট্রাবলশুটিং প্যাকে অ্যাক্সেস করার জন্য Control Panel>Find and fix problems (or‘Troubleshooting’)-এ ক্লিক করুন। এগুলো খুব সহজ ও সাধারণ উইজার্ড, যা সমাধান করবে সাধারণ সমস্যা, সেটিং চেক করবে, সিস্টেম ক্লিনআপসহ ইত্যাদি কাজ করবে।

স্টার্টআপ রিপেয়ার
যদি আপনার উইন্ডোজ ৭ ডাউনলোড করা (অথবা ডাউনলোড করা না হয়ে থাকে) অপারেটিং সিস্টেম হয়, তাহলে ভালো হয় সিস্টেম রিপেয়ার ডিস্ক তৈরি করা। যদি কোনো কারণে পরবর্তী সময়ে ওএস বুটিংয়ে সমস্যা হয় তাহলে তা সমাধানের লক্ষ্যে Start>Maintenance>Create a System Repair Disc-এ ক্লিক করুন এবং উইন্ডোজকে একটি বুটেবল ইমারজেন্সি ডিস্ক তৈরি করার সুযোগ দিন। যদি আপনার অপারেটিং সিস্টেমে এ ধরনের খারাপ কিছু ঘটে থাকে তাহলে পিসিকে সচল করার এটিই একমাত্র উপায় হতে পারে।

ডিজ্যাবল করা স্মার্ট উইন্ডোজের বিন্যাস
উইন্ডোজের কিছু কিছু ফিচার বেশ আকর্ষণীয়ভাবে বিন্যাস করা হয়েছে, যেমন উইন্ডো। আপনি কোনো উইন্ডোকে ড্র্যাগ করে স্ক্রিনের ওপরে নিয়ে এলে তা ম্যাক্সিমাইজ হবে। এই নতুন সিস্টেমকে অনেকেই পছন্দ করেন। তবে কোনো ব্যবহারকারীর কাছে তা বিরক্তিকর মনে হতে পারে। ইচ্ছে করলে এ ধরনের ব্যবহারকারীরা উইন্ডোজ ৭-এর ফিচারকে ডিজ্যাবল করতে পারেন। এ জন্য ব্যবহারকারীকে Run REGEDIT চালু করতে হবে।
HKEY_CURREN_USER/Control Panel\Desktop কি-তে নেভিগেট করুন এবং WindowsArrangement lActive-কে O-তে সেট করুন। এর ফলে উইন্ডোজ আগের মতো আচরণ করবে।

উইন্ডোজ ৭-এ ড্রাইভ ডিসপ্লে¬ করা
উইন্ডোজ ৭-এ Computers-এ ক্লিক করলে ড্রাইভ দেখা যায় না, তবে এতে উদ্ভিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। কেননা মাইক্রোসফট সবসময় চেষ্টা করে ব্যবহারকারীদের সহায়ক হতে। ড্রাইভ মেমরি কার্ড রিডারের মতো আর ডিসপ্লে¬ হবে না যদি সেগুলো খালি থাকে। এ বিষয়টিকে অনেকের কাছে উইন্ডোজের উন্নয়ন মনে হয় না। তাই ইচ্ছে করলে খালি ড্রাইভকে ডিসপ্লে¬ করাতে পারেন। এজন্য এক্সপ্লোরার রান করিয়ে Tools>Folder Options>View-তে ক্লিক করে ‘Hide empty drives in the computers folder’-এ ক্লিক করতে হবে।

পিসিকে করে তুলুন আরো গতিময়
আপনি পিসিকে আরো গতিময় করে তুলতে পারবেন ছোট কিছু কৌশল ব্যবহার করে। এর জন্য অতিরিক্ত কোনো সফটওয়্যার ব্যবহারও করতে হবে না। ছোট কিছু কৌশল ব্যবহার করে খুব সহজে পিসির গতি কিছুটা হলেও বাড়িয়ে তুলতে পারবেন। নিচের কিছু কৌশল আপনাদের কাছে তুলে ধরা হলো।
অযাতিত, অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করা
কাজ করার সময় অনেক অপ্রয়োজনীয় ফাইল তৈরি হয়, যেগুলো ডিলিট করার ব্যবস্থা থাকে না। তাই এগুলো ম্যানুয়ালি ডিলিট করতে হবে। নিচের নিয়ম অনুসরণ করে কাজটি খুব সহজেই করতে পারবেন।
* run>eventvwr>select application, system, microsoft office sessions >action>clear all events>no
* run>prefetch>ok>ctrl+A>shift+ delete
* run>%temp%>ok>select all>shift+ delete
* run>temp>ok>select all>shift+delete
* run>cleanmgr>select drive>ok
* run>recent>ok>select all>shift+ delete
* search>.tmp, .old>ok>ctrl+A>shift+delete.
* F3>.bac, .bak, .bck, .bk!, .bk$>ok>ctrl+A>shift+delete.
** ভালোভাবে দেখে .tmp, .old, .bac, .bak, .bck, .bk!, .bk$ ফাইলগুলো ডিলিট করবেন।
অতিরিক্ত ফন্ট ডিলিট করা
উইন্ডোজ সব ফন্টই স্টার্টআপের সময় মূল মেমরিতে নিয়ে নেয়। ফলে বুটটাইম বেড়ে যায়। run>fonts-এ গিয়ে অপ্রয়োজনীয় ফন্টগুলো ডিলিট করে দেয়া যায়।
তবে সিস্টেম ফন্ট নিয়ে তালগোল পাকানো ঠিক নয়। সিস্টেম ফন্টের লিস্ট আপনি খুঁজে নিতে
পারেন এখান থেকে http://www.microsoft. com/ typography/default.mspx।
অটো প্লে বন্ধ করা
কম্পিউটারে ভাইরাস ছড়ানোর জন্য প্রধানত দায়ী পেনড্রাইভ। যখন কম্পিউটারে পেনড্রাইভ লাগানো হয়, তখন অনেক সময় পেনড্রাইভ অটো ওপেন হয়ে যায়। ফলে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে আর কম্পিউটার স্লো করে ফেলে। তাই অটো প্লে বন্ধ করতে হবে।
Run>gpedit.msc>enter>user configuration>administrative templates>system>turn off auto play>enable>all drive>ok. (এই ট্রিকস Windows 7-এর জন্য প্রযোজ্য নয়।)

সিস্টেম রি-স্টোর
উইন্ডোজের আগের ভার্সনের সিস্টেম রি-স্টোর ফিচারটি ছিল অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণ। কেননা, এতে জানার কোনো উপায় ছিল না কোন ড্রাইভ বা অ্যাপ্লিকেশন আক্রান্ত হয়েছে। তাই আপনাকে শুধু চেষ্টা করে দেখতে হয়।
এক্ষেত্রে উইন্ডোজ ৭ ভিন্ন। মাউসে ডান ক্লিক করে Properties>System Protection>System Restore>Next সিলেক্ট করতে হবে এবং আপনার কাঙ্ক্ষিত রি-স্টোর পয়েন্ট বেছে নিতে হবে, যা আপনি ব্যবহার করবেন। এবার নতুন বাটন Scan for affected programs-এ ক্লিক করলে উইন্ডোজ বলে দেবে কোন প্রোগ্রাম এবং ড্রাইভ ডিলিট হবে বা, রি-স্টোর পয়েন্ট সিলেক্ট করার মাধ্যমে রিকোভার হবে।

পাওয়ার ইফেসিয়েন্সি রিপোর্ট পাওয়া
যদি আপনার ল্যাপটপ থাকে তাহলে পাওয়ার ইফেসিয়েন্সি ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারেন, যাতে উইন্ডোজ ৭ পাওয়ার কনজাম্পশন লোড জেনারেট করতে পারে। ফলে পাওয়ার কনজাম্পশনের ওপর প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যাবে। এই তথ্য যথাযথভাবে ব্যবহার করতে পারলে ব্যাটারির আয়ু যেমন বাড়াতে পারবেন, তেমনি বাড়াতে পারবেন পারফরম্যান্স। এ কাজটি করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে কমান্ড প্রম্পট চালু করতে হবে। এজন্য Start Search-এ গিয়ে cmd টাইপ করে এন্টার চাপতে হবে। যখন cmd আইকন আবির্ভূত হবে তখন এতে ডান ক্লিক করে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে Run বেছে নিন।
এরপর কমান্ড লাইনে Powercfg>energy টাইপ করে এন্টার চাপুন। এর ফলে উইন্ডোজ ৭ আপনার সিস্টেম স্ক্যান করে পাওয়ার ইফেসিয়েন্সি উন্নত করার উপায় বের করার চেষ্টা করবে। এরপর এইচটিএমএল ফাইলে এর ফল প্রকাশ করবে। এই ফাইলটি সাধারণত সিস্টেম ৩২ ফোল্ডারে থাকে। এই রিপোর্ট পাওয়ার জন্য পথ অনুসরণ করে এগিয়ে যেতে হবে।
সালাম সবাইকে আশা করি সবাই বেশ ভালো আছেন। এবার চলে আসি আমার আজকের বিষয়ে। নতুন কম্পিউটার ব্যবহারকারী মাত্রই কম্পিউটার ভাইরাসের ব্যাপারে অনভিজ্ঞ। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই তারা বুঝতে পারেন না কম্পিউটার তার অজান্তে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে কি না। সে  ক্ষেত্রে নিচের বিষয়গুলো একটু লক্ষ করলেই নিশ্চিত হওয়া যাবে কম্পিউটারে ভাইরাস আছে কি না ;


  •  কম্পিউটারের গতি ধীর হয়ে যাবে।
  • সফটওয়্যার, গেমস এমনকি অডিও-ভিডিও ফাইল চালু হতেও সময় নেবে বেশি।
  • ডিস্কে ব্যাড সেক্টর বারবার দেখাবে।
  • ওয়ার্ড, নোটপ্যাড ফাইলের ফন্ট নষ্ট হয়ে  যেতে পারে।
  • র‌্যাম, এজিপি কম দেখাতে পারে।
  • ডিস্কের ভলিউম লেবেল পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে।
  • কোনো কিছু সেভ হতে বা লোড হতে বেশি সময় নেবে।
  • সিডি, ডিভিডি কপি হতে বেশি সময় নেবে।
  • হার্ডডিস্কে জায়গা কমে যেতে পারে।
  • অজানা এক্সটেনশনযুক্ত ফাইল দেখা যাবে।
  • স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন প্রোগ্রাম রান করবে বা বন্ধ হবে।
  • ফোল্ডার অপশন মুছে যাবে।
  • ওয়ার্ডে বা নোটপ্যাডে কিছু লিখলে তা অনেক ক্ষেত্রেই সেভ করা যাবে না।
  • কিবোর্ড ও মাউস ব্যবহারে সমস্যা হতে পারে।
  • যে গেম আগে ঠিকভাবে চলত সেগুলো কোনো কারণ ছাড়াই চলার সময় বারবার আটকে যাবে।
  • পিসি হ্যাং করতে পারে।
  • টাস্ক ম্যানেজার কাজ করবে না।
  • অনেক ক্ষেত্রে বিভিন্ন ফোল্ডারের আইকন পরিবর্তন করা যায় না। 
  •  
  • ভাল থাকবেন সবাই।

সোমবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। 
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি আল্লাহ্‌ তায়ালা সবাইকে ভালো রেখেছে। আমরা সবাই মনে হয় অ্যান্ড্রয়েড ফোন Use করতে পছন্দ করি । আমরা হয়ত এমন চিন্তা করি যদি অ্যান্ড্রয়েড আমাদের পিসি তে Use করতে পারতাম তাহলে কত ভালো হতো। এই চিন্তা করেই আমার এই পোস্ট । আশাকরি ভালো লাগবে। এটি একটি সফটওয়্যার যা আমাদের পিসি তে সেট আপ দিয়ে Use করতে হবে। আজ আমি যেই সফটওয়্যার টি নিয়ে আলোচনা করবো সেটা দিয়ে আমাদের পিসি কে  অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল এর মতো Use করতে  পারবো । আসুন আমরা শুরু করি।
সফটওয়্যার টির নাম bluestacks
আমাদের ১ম যে কাজটি করতে হবে। সেটা হলো,
এই সফটওয়্যার টি ডাউনলোড দিতে হবে। ডাউনলোড দিতে আপনি এইখানে ক্লিক করেন
এই পর ডাউনলোড দেবার পর সেট আপ দেন এইভাবে।





















































এবার হারিয়ে যান অ্যান্ড্রয়েড এর জগতে।আর হা ভাইয়ারা যদি সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন।

Recent Comments